খুব সাধারণ এবং পরিপাটি জীবনযাপন আমার পছন্দ। আখিরাতমুখী জীবনযাপন করতে আমি পছন্দ করি। নিশ্চয়ই আখিরাতমুখী জীবনযাপন দুনিয়ার জীবনকে সুন্দর করে তোলে। বাহ্যিক চাকচিক্যের চেয়ে মনের প্রশান্তি এবং দ্বীনি পরিবেশ আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইসলামিক বই পড়া, দ্বীনি জ্ঞান অর্জন করা আমার পছন্দের বিষয়। আমার লক্ষ্য হলো- দ্বীনের পথে থাকা, একটি আদর্শ পরিবার গঠন করা এবং সাংসারিক ও দ্বীনি জীবনে জীবনসঙ্গীর সহযোগী হওয়া।
তাসাওউফ-আত্মশুদ্ধি, মুমিনের পরকাল ভাবনা, সুখী যদি হতে চাও, আল্লাহর পথে এসো, মুমিনের বিবাহ ও স্বামী স্ত্রীর অধিকার, গীবত বা পরনিন্দা ও তার ভয়াবহ শাস্তি, মৃত্যুর প্রস্তুতি-তাকওয়া অর্জন ও জান্নাতের মনোরম দৃশ্য ইত্যাদি।
👨👩👧👦 পারিবারিক অবস্থা ও সম্পর্কসমূহ
পরিবারের সদস্য গন
মা, বাবা, ভাই, চাচা, মামা
পিতার পেশা
কৃষক।
মাতার পেশা
গৃহিণী।
ভাইদের পেশা ও শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বৈবাহিক অবস্থা
দুই জন ভাই।
বড় ভাই: স্নাতক, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশে কর্মরত, বিবাহিত।
ছোট ভাই: উত্তর প্রদেশে মাদ্রাসায় মাওলানা পড়ছেন (হিফজ সম্পন্নকারী), অবিবাহিত।
বোনদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও বৈবাহিক অবস্থা
নেই
চাচাদের পেশা
তিন জন চাচা। সবাই কৃষিকাজের সাথে যুক্ত।
মামাদের পেশা
ছয় জন মামা। তিন জন কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন এবং তিন জন কৃষিকাজ করেন।
আপনার পরিবারের ধর্মীয় অনুশীলন মাত্রা কেমন ?
মাঝারি
পরিবারের দ্বীনি অবস্থার বিবরন
পরিবারের সবাই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন এবং সকলে সাধ্যমতো দ্বীন পালনের চেষ্টা করেন।
পরিবারের আর্থিক অবস্থা
মধ্যবিত্ত
পরিবারের আর্থিক অবস্থার বিবরন
আলহামদুলিল্লাহ সচ্ছল। নিজেদের বাড়ি আছে এবং কিছু কৃষি জমি আছে।
💍 প্রত্যাশিত জীবনসঙ্গীর বৈশিষ্ট্যাবলি
বয়স
২৫ - ৩০ বছর
বৈবাহিক অবস্থা
অবিবাহিত
উচ্চতা
৫ ফুট ৬ ইঞ্চি - ৬ ফুট
শিক্ষাগত যোগ্যতা
দ্বীনি শিক্ষা আবশ্যক। তিনি যেন পর্যাপ্ত দ্বীনি জ্ঞান রাখেন। ' আলেম' (ইলম অনুযায়ী আমলকারী) হলে ভালো হয়। সাধারণ শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকলে তা উচ্চ মাধ্যমিক বা স্নাতক।
মাযহাব/ফিকহ
হানাফি
গায়ের রঙ
ফর্সা, উজ্জ্বল শ্যামলা, শ্যামলা
ওজন
৫৮ - ৬৩ কেজি
জেলা
নদীয়া (তবে যোগ্য ও দ্বীনদার পাত্র হলে পার্শ্ববর্তী জেলা বিবেচনাধীন)।
আর্থিক অবস্থা
নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত
চারিত্রিক গুণাবলী
অবশ্যই দ্বীনদার ও আল্লাহভীরু হতে হবে এবং পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মিত আদায় করতে হবে। উত্তম চরিত্রের অধিকারী, দায়িত্বশীল, বই পড়তে পছন্দ করেন এমন এবং যথেষ্ট গাইরতবান হতে হবে। তিনি মাহরাম ও নন-মাহরাম মেনে চলবেন এবং নজরের হেফাজত করবেন। বিয়ের পর স্ত্রীকে পর্দার উপযুক্ত পরিবেশ করে দিতে পারবেন এবং নিজের ভাই, বন্ধু বা অন্যান্য আত্মীয়স্বজন যারা নন-মাহরাম, তাদের সামনে আসতে কখনও বাধ্য করবেন না এমন মানসিকতার অধিকারী হতে হবে। এছাড়া, তিনি স্ত্রীর পর্দার দায়িত্ব নেবেন। পর্দার ব্যাপারে কঠোর হবেন, দ্বীনি জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করবেন এবং একে অপরকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করবেন।
📝 বিয়ের পরবর্তী পরিকল্পনার দৃষ্টিভঙ্গি
বিয়ের উদ্দেশ্য
প্রধান উদ্দেশ্য হলো - আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং নবীজীর সুন্নাত অনুসরণ করে নিজের অর্ধেক দ্বীনকে পূর্ণ করা। ফিতনা থেকে চরিত্রকে সুরক্ষিত রাখা, একটি দ্বীনি ও নেককার পরিবার গঠন করা, নেককার উম্মত তৈরি করা এবং জীবনসঙ্গীর সাথে দ্বীন ও পরকালের পথে একে অপরের সহযোগী হয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে সফলতা লাভ করা।
পড়াশুনা করতে চান?
না
চাকরি করতে চান ?
না
স্বামীকে বহুবিবাহ করতে দিবেন?
না
আল্লাহকে সাক্ষী রেখে আমার অঙ্গীকার:
এই বায়োডাটায় প্রদত্ত সকল তথ্য সম্পূর্ণ সত্য ও সঠিক।
ভবিষ্যতেও আমি সবসময় সত্য তথ্য প্রদানে সতর্ক থাকব।